এমপির এপিএস পরিচয় প্রদানকারী কে এই জাকির ?

নাগরিক রিপোর্ট: স্কুলের গন্ডি না পেরিয়েই বনে গেছেন ঢাকা-১৬ আসনের এক বিশাল র্হতাকর্তা । তার ইশারার বাহিরে পল্লবী-রূপনগরে কোন কিছু হলেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান তিনি । যাকে খুশি, না করলে অত্র এলাকায় ব্যবসা বানিজ্য থেকে শুরু করে রাজনীতি করাও প্রায় অসম্ভব তিনি মোঃজাকির হোসেন । পেশায় সংসদ সদস্য ঢাকা-১৬ এর সামান্য কম্পিউটার অপারেটর। শোনা যায় বিভিন্ন জায়গায় অনেক সময় খোদ এম.পি ও তার পরিবারকে নিয়ে সমালোচনা ও কটূক্তি করে থাকেন এই ‘প্রভাবশালী’ ব্যাক্তি । খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পিতা মোঃ শাহাজাহান মিয়া ও বড় ভাই নাজীর হোসেন গ্রামের বাড়ী বগুড়ার একজন সামান্য ভ্যানচালক । এই ক্ষমতাবান ব্যাক্তি ২০০৭ সালে জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় এসে কাফরুল এলাকায় একটি গার্মেন্টস এ পোশাক শ্রমিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে । অনৈতিক কর্মকার্ন্ডে ও নারীঘটিত কারণ এর কারণে এক বছরের মধ্যেই চাকরিচুত্য হয় এই জাকির । পরর্বীতে একটি ষ্টুডিওতে ল্যাব সহকারী হিসেবে চাকুরী নেয় । ২০০৯ সালে এক চিত্রগ্রাহকের বিশেষ অনুরোধে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদের অফিসে সহকারী কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে চাকরী হয় এই জাকিরের । সময়ের বির্বতনে ফুলে-ফেপে ওঠেন এই জাকির । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মী জানান “এম.পি মহোদয়ের অগোচরে তার নাম ব্যবহার করে অপরাধ জগৎতে পর্দাপন করেই বেশ প্রভাবশালী আর সম্পদশালী হয়ে বিলাশবহুল জীবন যাপন শুরু করে এই জাকির । অথচ মাত্র ৩০০০ হাজার টাকা বেতনের এই কর্মচারী এখন আয়েশী জীবন যাপন করে, বিদেশী মদ আর নারী নিয়ে নিয়মিত আসরে বসে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক নেতা-কর্মী জানায় তার অত্যচারে তূণমূলের কর্মীরা অতিষ্ঠ । যে কোন কাজে এম.পি সাহেবের অফিসে গেলে সে বিভিন্ন ভাবে অসাদচারন ও খারাপ ব্যবহার করে । যার ফলে অনেক নেতা-কর্মী মনের কষ্টে এম.পি মহোদয়ের অফিসে যায় না। “

Sharing is caring!