সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বহিষ্কৃত নেতাকে দিয়ে ছাত্র অধিকার পরিষদের কথিত নতুন কমিটি ঘোষণা

নৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য একের পর এক প্রোপাগান্ডার পর অবৈধ-ফ্যাসিবাদী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় এবার বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে বহিষ্কৃত নেতাকে দিয়ে কথিত ‘নতুন কমিটি ঘোষণা’ করা হলো। কথিত নতুন এই কমিটিতে আহবায়ক করা হয় এমন একজনকে, যাকে গত মে মাসে সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার অপরাধে পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদ্য সাবেক ভিপি ও ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ এর যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর বলেন, “প্রেসক্লাবে যারা সংবাদ সম্মেলন করেছে তারা ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউ নয়। ওখানে এ পি এম সুহেল ছাত্র অধিকার পরিষদে ছিল। কিন্তু গত মে মাসে তাকে সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে। কাজেই তারা সংগঠনের কেউ না।”নুরুল হক নুর বলেন, তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ নামে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার বিষয়টি সরকারই করাচ্ছে। এগুলো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় হচ্ছে।”

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ হিসেবে কোটা সংস্কার আন্দোলন করার পর আমরা যেহেতু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার দিকে যাচ্ছি, সেকারণে নামটি সংশোধন করে ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ করেছি। এখন আগের নাম নিয়ে কেউ যদি দাবি করে সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। তারপরও একজন ব্যক্তি সংগঠন করতেই পারে। এ নিয়ে আমাদের বলার কিছু নেই। আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি না।”

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খান ও ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে ২২ সদস্যের নতুন এই আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসুর সদ্য সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ‘মানুষের আবেগ নিয়ে নোংরা রাজনীতি’ ও ‘আর্থিক অস্বচ্ছতা’র অভিযোগ তুলে ‘ছাত্র অধিকার পরিষদ’ ভেঙে আগের ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’ নামে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র: আমার দেশ ইউকে

Sharing is caring!