সালাহকে হারিয়ে মানের শিরোপা জয়

দুই লিভারপুল তারকার লড়াইয়ের নির্ধারিত সময় শেষ হয় গোল শূন্যভাবে। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলাতে গোলের দেখা না মেলায় পেনাল্টি শুট আউটে নিষ্পত্তি হয় ম্যাচের ভাগ্য। মোহামেদ সালাহ’র মিশরকে ট্রাইব্রেকারে হারিয়ে প্রথমবারের মত আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের শিরোপা ঘরে তোলে সাদিয়ো মানের সেনেগাল।

ইজিপশিয়ান মেগা স্টার মোহামেদ সালাহদের ট্রফি ছূঁয়ে না দেখার শোক, অন্যদিকে সেনেগোল সুপার স্টার সাদিয়ো মানেদের প্রথম শিরোপা জয়ে আনন্দ। মিশরকে হারিয়ে আফ্রিকান নেশ্ন্স কাপের আরাধ্য ট্রফি জয়ের আনন্দে বাকরুদ্ধ সেনেগাল ব্রিগেড।

মিশরের জন্য অষ্টম শিরোপা হাত ছাড়া, আর দুইবার রানার্সআপ হবার পর ট্রফি হাতে আক্ষেপ ঘোচালো সেনেগাল। মাঠে ও মাঠের বাইরে বাধ ভাঙা উল্লাসে ফেটে পড়ে সেনেগাল ফুটবল ভক্তরা।

ক্যামেরুনের ওলেম্বে স্টেডিয়াম, শুরুর বাঁশি থেকেই দাপুটে ফুটবল সেনেগালের, সাত মিনিটের মাথায় বক্সে ফাউল করে প্রতিপক্ষকে পেনাল্টির সুযোগ দিয়ে বসে মিশরিয়ান ডিফেন্ডাররা। স্নায়ুর চাপ সামলাতে না পেরেই যেন ডিরেক্ট শটে ব্যর্থ লিভারপুল অ্যাটাকার সাদিয়ো মানে।

১২ মনিটি বাদে আবারও সেনেগাল অ্যাটাকে ব্যাকফুটে ইজিপশিয়ান ডিফেন্ডাররা। ইসমাইলা সারের ক্রসে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ মানে, হাফ ছেড়ে বাঁচলো সালাহরা।

২৮ মিনিটে সালাহ ম্যাজিকে কুপোকাত প্রতিপক্ষের রক্ষণ, তবে সেনগালের গোল রক্ষককে বাগে পেয়েও স্কোর করতে পারলেননা রেড ডেভিল অ্যাটাকার। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটও কেটে যায় আক্রমন পাল্টা আক্রমন দিয়ে, তাতে সুযোগ মিসের পার্সেন্টেন্সে এগিয়ে ছিলো সেনেগাল। সব শেষে টাইব্রেকারে মেলে সমাধান।

ডিরেক্ট শটে মিশরের পোস্টের নিচে কিপিং মুডেই ছিলেন আবু গাবাল। তবে পেনাল্টিতে সেনোগালের পোস্টে বল রাখতে ব্যর্থ আবদেল মোনেমরা। মোহামেদ লাশিনের শট ঠেকিয়ে দিয়ে সাদিয়ো মানেকে আজীবনের আক্ষেপ থেকে বাঁচালেন আর নিজেকে ইতিহাসের পাতায় নিয়ে গেলেন সেনেগাল গোল কিপার এদুয়ার্দ মদি।

Sharing is caring!