র‍্যাব নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন জানিয়েছিলেন, র‌্যাব ইস্যুতে সহযোগিতা করবে ভারত। তবে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা সফরের সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর।

তিনি আশা করেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরের পর বাংলাদেশ-ভারত সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে। দুই দেশে করোনা প্রকোপ কমে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

দুই দিন আগে নিজ কার্যালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। শুধু নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়, মার্কিন মুলুকে অনাবাসী ভারতীয় মহলকেও এই বিষয়ে উদ্যোগী হতে বলা হয়েছে।

এ নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের দিন শেষে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, র‌্যাব ইস্যুতে কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে তার দেশ? জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে…।’

সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে ড. এস জয়শংকর আশা করেন, করোনা পরবর্তী সময়ে উভয় দেশের সার্বিক যোগাযোগ হবে আগের মতোই। আর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দুই দেশের মাঝে বড় কোনও সমস্যা নেই।

ভারতীয় মন্ত্রী জানান, সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফর করবেন। সেই সঙ্গে জেসিসি জেআরসির বৈঠক হবেও নিয়মিত।

এর আগে দুপুরে ঢাকা পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর। কুর্মিটোলায় বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে তাঁকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন।

এরপর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন এস জয়শঙ্কর। সেসময় প্রধানমন্ত্রীর হাতে ভারত সফরের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দেন তিনি। এসময় উভয় দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যু নিয়েও কথা বলেন তারা।

এদিন সন্ধ্যায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকরের সম্মানে একাডেমিতে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। আগামীকাল শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

Sharing is caring!