ইউক্রেনকে সহায়তার অনুরোধ প্রিয়াঙ্কার

ইউক্রেনের নিরীহ মানুষকে সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এই আহ্বান জানানোর পাশাপাশি অনুদানের জন্য নিজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের বায়ো অংশে দেওয়া ইউনিসেফের লিংকেও নজর দিতে বলেছেন এই অভিনয় শিল্পী।

ওই পোস্টে যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউক্রেনবাসীর জনজীবন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাও দিস নিউজের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন প্রিয়াঙ্কা। সেখানে দেখা যায়, আতঙ্কিত মানুষ জীবন বাঁচাতে পাতালরেল স্টেশনে জড়ো হচ্ছে।

২০১৬ সাল থেকে ইউনিসেফের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা এই চলচ্চিত্র তারকা বলেন, ‘ইউক্রেনে পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তা ভয়াবহ। নিরীহ মানুষ নিজের আর প্রিয়জনের জীবন হারানোর ভয়ে ভীত। এই অনিশ্চয়তা থেকে তারা মুক্তির পথ হাতড়ে বেড়াচ্ছে।’

গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণার পর ইউক্রেনের বিরুদ্ধে স্থল, আকাশ ও সমুদ্রে পথে সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে রুশ বাহিনী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের কোনো দেশ একই মহাদেশের অন্য দেশে এত বড় আক্রমণ চালায়নি।

বিস্ফোরণ ও গোলাগুলিতে কেঁপে ওঠা ইউক্রেনের বড় বড় শহরগুলোর আনুমানিক এক লাখ লোক ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে; কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যুরও খবর পাওয়া গেছে।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এটা বোঝা দুষ্কর, কি করে এই সভ্য বিশ্বে পরিস্থিতি এমন মর্মান্তিক পর্যায়ে গিয়ে ঠেকতে পারে। তবে এর পরিণতি সারা বিশ্বে প্রতিধ্বনিত হবে। …ওই যুদ্ধ অঞ্চলে নিরীহ মানুষ রয়েছে। তারা একদম আপনার আর আমার মতই।’

ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা অভিযানের মধ্যে দেশটির আক্রান্ত জনগণের পাশে বিশ্বকে দাঁড়ানোর অনুরোধে সরব হয়েছেন বিশ্বের আরও কয়েকজন তারকা।

এ ছাড়া অভিনয় শিল্পী তিলোত্তমা সোম এক টুইটে বলেছেন, ‘কোভিডের এই সময় আমার ক্যানসারে আক্রান্ত মাকে নিয়ে আমি চিন্তিত। কিন্তু যখন আমি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে থাকা পরিবার ও ক্যানসার রোগীদের কথা ভাবি, আমার মগজ অবশ হয়ে আসে। যুদ্ধের চেয়ে জঘন্য আর কিছুই হতে পারে না।’

পূর্ব ইউরোপে এই যুদ্ধ নিয়ে ভারতীয় অভিনেত্রী রিচা চাড্ডাও সরব হয়েছেন টুইটারে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ‘বেওয়াচ’ তারকা এরিকা এলিনিয়াক ইউক্রেনে হামলাকে ‘পৈশাচিক’ বলেছেন। রাশিয়ার আক্রমণের বিপক্ষে বিশ্ববাসীকে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ২০০৪ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী ইউক্রেনের কিংবদন্তি ফুটবলার আন্দ্রে শেভচেঙ্কো।

Sharing is caring!