র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা ‘দৃঢ়ভাবে’ সমর্থন করেন মিকস

বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ও হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান গ্রেগোরি ডব্লিউ মিকসের একটি ভুলভাবে উপস্থাপন করছে বলে বেশ সমালোচনা চলছিলো। যা নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমেই আলচনা-সমালোচনার ঝড় বইছিল। বক্তব্যের সত্য-মিথ্যা যাচাই করা যখন জরুরি হয়ে পড়েছিল তখন মিকস নিজেই তার বক্তব্য পরিষ্কার করেছেন। স্থানীয় সময় ৪ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেন তিনি।

কমিটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে মিকস বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে গ্লোবাল ম্যাগনিটস্কি হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট-এর অধীনে বাইডেন প্রশাসন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এবং এর বেশ কিছু বর্তমান ও প্রাক্তন সদস্যের ব্যাপারে যে অবস্থান নিয়েছে তাকে আমি দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি।

তবে তিনি বলেন, টার্গেটেড স্যাংশন সবচেয়ে বেশি কার্যকর বলেই আমার বিশ্বাস এবং আমি বিশ্বাস করি না যে বাংলাদেশের ওপর এই মুহূর্তে গণহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

পাশাপাশি মিকস যোগ করেন, আমি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে সমর্থন অব্যাহত রাখছি। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু নিশ্চিত করাসহ দেশের মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়তায় কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছি।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাব এবং সংস্থাটির সাবেক ও বর্তমান সাত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এবং রাজস্ব বিভাগ আলাদাভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপের এক মাস আগে, অর্থাৎ গত বছরের নভেম্বরে র‌্যাবকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে চিঠি লিখে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ আন্তর্জাতিক ১২টি মানবাধিকার সংস্থা।

Sharing is caring!