ব্যর্থ র‍্যাবের বড় গলা

সাগর-রুনি হত্যার দশ বছর পূর্ণ হয়েছে আজ। এই দশ বছরে ৮৫ বার সময় নিয়েও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থাগুলি। অথচ তাদেড় উপর যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসে তখন তারা এমনভাবে কথা বলছিল যেন, তারা সুপার হিরো! যেকোন মামলা নিমেষেই সমাধান করে দেয়।

সাগর-রুনি হত্যা মামলার কূলকিনারা করতে না পারলেও বড় বড় কথা ঠিকই বলে যাচ্ছে বাহিনীটি। র‍্যাবের সক্ষমতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে বাহিনীটির মুখপাত্র এবং আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের বলেন, ‘র‍্যাবের সক্ষমতা নেই। এটা একটা জেনারালাইজড বক্তব্য। এটা কীভাবে বলেন?…তদন্তকারী কর্মকর্তা পেশাদারিত্বের সঙ্গে সবগুলো সাইড ক্ষতিয়ে দেখছেন। এভাবেই তদন্ত চলমান রয়েছে।’

র‌্যাব মুখপাত্র বলেন, ‘আদালতকে টাইম টু টাইম অগ্রগতি জানানো হচ্ছে। সে জন্যই আদালত আমাদের সময় দিচ্ছেন।’

‘র‍্যাব যখন তদন্ত করবে, তখন একটি ব্যাপার নিশ্চিত করতে চায়, যেন কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হয়’ যোগ করেন তিনি।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘এই মামলায় ১৬০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। আলামত যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে কিছু তথ্য এসেছে। আশা করছি, শিগগিরই আপনারা এ বিষয়ে জানতে পারবেন।’

এক দশক আগে সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের দিন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এখনো মামলার তদন্তই শেষ হয়নি।

একাধিক সংস্থার হাতবদল করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৮৫ বার সময় নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো। বর্তমানে তদন্তের দায়িত্বে আছে র‌্যাব।

Sharing is caring!