‘মতের’ অমিলে ‘মান-ইজ্জত’ গিয়েছে ছাত্র ইউনিয়নের!

নিজেদের মতের সাথে মিল না হলেই তার বিরুদ্ধে হামলা-মামলা আওয়মী সরকারের পুরাতন অভ্যাস। আওয়ামী লীগের এই দেখানো পথেই হাটলো ‘প্রগতিশীলতার’ মুখোশধারী ছাত্র ইউনিয়ন। যদিও অনেক সময়ই এই সংগঠন এবং তাদের সহযোগী সিপিবিকে আওয়ামী লীগের ‘বি টিমের’ মত আবির্ভূত হতে দেখা গেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে একটি মানহানির মামলা দায়ের করয়েছে শরীয়তপুর জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি।

যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাকে ছাত্র ইউনিয়নের লোক বলে মন্তব্য করায় বুধবার শরীয়তপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের ছাত্র ইউনিয়প্নের এই নেতা।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিএফ) প্রতিবাদ সভায় দেওয়া বক্তব্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন- প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া কাদের মোল্লা ছাত্র ইউনিয়নের লোক। এজন্য তার বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃতির একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রথমে গত ৮ ফেব্রুয়ারি শরীয়তপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তারের আমলী আদালতের পালং অঞ্চলে মামলাটি দায়ের করেন শরীয়তপুর জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ওরফে রুদাদ। আদালত মামলাটি খারিজ করার আদেশ দেন।

এরপর বুধবার মামলার বাদী পুনরায় শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়ের করেন। জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস মামলাটি আমলে নিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান রুকন বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাদী শরীয়তপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তারের আদালতে মামলাটি দায়ের করলে মামলাটি খারিজের আদেশ দেন। পরে বাদী আবার বুধবার শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাসের আদালতে রিভিশন করলে আদালত তা আমলে নিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

Sharing is caring!